রেড হ্যাট লিনাক্স : Network Configuration

রেড হ্যাট লিনাক্স : Network Configuration

Linux মেশিনে নেটওয়ার্ক সেটআপ বা নেটওয়ার্ক কনফিগার করা Linux এর একটি প্রাথমিক কাজ এবং গুরুত্বপূর্ণও বটে। নেটওয়ার্ক সেটআপ বলতে বুঝায় কোন কম্পিউটারকে এমনভাবে কনফিগার করা যাতে করে তা একটি LAN এর অন্যান্য কম্পিউটারের সাথে সফলভাবে ডাটা শেয়ার করতে পারে।
আমরা সকলেই জানি যে, কোন কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কে যুক্ত করতে হলে একটি LAN Card প্রয়োজন এবং একটি নেটওয়ার্ক ক্যাবলের মাধ্যমে কম্পিউটারটিকে অন্য আরেকটি কম্পিউটার বা সুইচের সাথে যুক্ত করতে হয়। ধরুন, আমরা তা করলাম। কিন্ত এতে করেই কাজ শেষ হয়ে যাবে না। কম্পিউটারটিতে আই.পি এ্যাড্রেস, সাবনেট মাস্কসহ আরো কিছু জিনিস সেটআপ করতে হবে।
আই.পি এ্যাড্রেসিং ও সাবনেট মাস্ক নেটওয়ার্কিং এর খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আই.পি এ্যাড্রেসিং ও সাবনেট মাস্ক এর উপর স্বচ্ছ ধারণা থাকা একজন নেটওয়ার্ক প্রফেশনালের জন্য অত্যাবশ্যক। ধরি, আমাদের এ্যাড্রেস ব্লক হলো 192.168.10.0/24 । সুতরাং এই এ্যাড্রেস ব্লকের 192.168.10.1 থেকে 192.168.10.254 আই.পি গুলো আমরা ঐ নেটওয়ার্কের কম্পিউটারসমূহে ব্যবহার করতে পারি। আর এজন্য প্রতিটি কম্পিউটারে সাবনেট মাস্ক হবে 255.255.255.0 ।
প্রথমেই আমরা একটি টার্মিনাল ওপেন করবো এবং এই কমান্ডটি দিবো।
# setup
এতে করে একটি নতুন উইন্ডো ওপেন হবে।
এখান থেকে আমরা Network Configuration অপশনটি সিলেক্ট করে কী-বোর্ডের Enter বাটন প্রেস করবো।

অতঃপর যে উইন্ডো ওপেন হবে সেখান হতে Device Configuration অপশনটি সিলেক্ট করে কী-বোর্ডের Enter বাটন প্রেস করবো।

এতে নিচের উইন্ডো ওপেন হবে। আমার কম্পিউটারে দুইটি LAN Card লাগানো আছে তাই দুটিই দেখাচ্ছে। আপনাদের যদি একটি LAN Card লাগানো থাকে তাহলে eth0 নামে একটিই দেখাবে। এখান থেকে এখন আমরা eth0 অপশনটি সিলেক্ট করে কী-বোর্ডের Enter বাটন প্রেস করবো।

সদ্য Linux ইন্সটল করা মেশিনে কোন আ.পি থাকে না তাই উইন্ডোটি এরকম দেখাচ্ছে। যেহেতু আমরা এই মেশিনে ম্যানুয়ালী আই.পি বসাবো তাই Use DHCP অপশনটি সিলেক্ট করে কী-বোর্ডের Spacebar বাটন প্রেস করবো এবং * চিহ্নটি উঠিয়ে দিব । তারপর আমরা একে একে আই.পি, সাবনেট মাস্ক, গেটওয়ে, ডি.এন.এস বসাবো এবং OK করবো।

এবং সেভ করবো।

অতঃপর পরের উইন্ডো থেকে DNS Configuration সিলেক্ট করে কী-বোর্ডের Enter বাটন প্রেস করবো।

এখানে Hostname (আপনার ইচ্ছা মতো), Primary DNS ও DNS search path লিখে OK করবো।

অতঃপর Save and Quit করাবো।

Save and Quit করার পরে যে উইন্ডোটি আসবে সেখান থেকে Firewall Configuration অপশনটি সিলেক্ট করে কী-বোর্ডের Enter বাটন প্রেস করবো।

ওপেন হওয়া উইন্ডোটিতে দেখবেন Firewall এনাবল করা আছে। আমরা Spacebar প্রেস করে * চিহ্নটি উঠিয়ে দিয়ে Firewall ডিসএ্যাবল করবো এবং OK করবো।

অতঃপর Yes করবো।

এবং সবশেষে Quit করে বের হয়ে আসব।

এরপর আমরা আরো কিছু ফাইল চেক করবো। Red Hat Linux এ NetworkManager নামে একটি সার্ভিস চালু থাকে, তাই অনেক সময় ফাইলগুলো অটোমেটিকভাবে আপডেট হয়ে যায়। যদি তা না হয় তাহলে প্রয়োজনে আমরা ফাইলগুলো এডিট করবো। পর্যায়ক্রমে এই ফাইলগুলো হলঃ
# vi /etc/sysconfig/network-scripts/ifcfg-eth0

# vi /etc/sysconfig/network

# vi /etc/hosts

# vi /etc/resolv.conf

সমগ্র কাজগুলো একের পর এক বুঝে বুঝে ঠান্ডা মাথায় করার পর আমরা নেটওয়ার্ক সার্ভিসটি একবার রিষ্টার্ট দিবো।
# service network restart
# chkconfig network on
এরপর আমরা SELinux ডিসএ্যাবল করবো।
#setenforce 0
#vi /etc/sysconfig/selinux

SELinux ডিসএ্যাবল করার পর কম্পিউটারটি অবশ্যই একবার রিবুট দিতে হবে।
পরবর্তীতে কম্পিউটারটি অন হলে আমরা নিচের কমান্ডগুলো দিয়ে দেখবো আমাদের নেটওয়ার্ক সেটআপ ঠিক আছে কি না।
# ifconfig
# ip route
# hostname
যদি সবকিছু ঠিক থাকে তাহলে
# ping 127.0.0.1
কমান্ডটি দিয়ে দেখবো Ping Reply ঠিকভাবে আসে কি না।

এছাড়া আপনাদের আরেকটি লিনাক্স মেশিন থাকলে ঐ মেশিনটিতে একইভাবে নেটওয়ার্ক সেটআপ করে একটি থেকে আরেকটি মেশিনে Ping দিয়ে দেখতে পারেন।
Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s